Warning: file_exists(): open_basedir restriction in effect. File(/mnt/www/wwwroot/www.akkn.com/wp-content/plugins/wp-rocket/) is not within the allowed path(s): (/mnt/sites/www.akkn.com/:/tmp/) in /mnt/sites/www.akkn.com/wp-content/advanced-cache.php on line 17
নকল বা রি-মার্কড ক্যাপাসিটর চেনার কার্যকর কৌশল: ইনভার্টার মেরামতের আগে ইনকামিং পরীক্ষা - AKKN Electronics Bangladesh
welcome
We've been working on it

নকল বা রি-মার্কড ক্যাপাসিটর চেনার কার্যকর কৌশল: ইনভার্টার মেরামতের আগে ইনকামিং পরীক্ষা

টেক্সটাইল মিলের ইনভার্টার মেরামতের সময় ডিসি-লিংক ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর প্রায়ই বদলাতে হয়। কিন্তু নতুন ক্যাপাসিটরটিই যদি নকল বা রি-মার্কড হয়, তাহলে মেরামত করা ড্রাইভটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আবার বিকল হয়ে যায়। সমস্যা হলো, নকল অংশ চেনা সহজ নয়; বাইরের খোলস ও প্রিন্ট ভালো মানের হলেও ভেতরের অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল, ইলেক্ট্রোলাইট ও সিলের গুণগত মান মূল অংশের অনেক নিচে থাকে। দামি ড্রাইভে বসানোর আগে ইনকামিং পরিদর্শনই সেই প্রক্রিয়া, যেখানে সন্দেহজনক ক্যাপাসিটর বাদ দেওয়া সম্ভব এবং পুরো মেরামতের খরচ সাশ্রয় হয়।

ইনভার্টারের ডিসি-লিংকে ক্যাপাসিটরের ওপর বৈদ্যুতিক চাপ

তিন ফেজ ৪০০ V ইনভার্টারে ডিসি-লিংক ভোল্টেজ ৫৪০ VDC-এর আশপাশে থাকে, কিন্তু মেইনস ভোল্টেজের ওঠানামা, জেনারেটর সরবরাহ ও কাছের ভারী মোটরের সুইচিং-এর কারণে তা ±১৫% ঘুরে যায়। এর সঙ্গে ডিসি-লিংক ক্যাপাসিটরের ভেতর দিয়ে নিয়মিত রিপল কারেন্ট প্রবাহিত হয়: মেইনস ফ্রিকোয়েন্সির দ্বিগুণ (১০০/১২০ Hz) এবং সুইচিং ফ্রিকোয়েন্সির কারেন্টের অংশ।

টেক্সটাইল মিলের ইলেকট্রিক্যাল রুমে তাপমাত্রা ৩৫–৫০°C এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০–৯০% পর্যন্ত পৌঁছায়। ক্যাপাসিটরের ভেতরের তাপই আসল শত্রু: রিপল কারেন্ট ও ESR-এর কারণে উৎপন্ন তাপ (P = I² × ESR) ইলেক্ট্রোলাইটকে শুকিয়ে ফেলে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, তাপমাত্রা প্রতি ১০°C বাড়লে ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটরের আয়ু অর্ধেক হয়ে যায়। তাই যে ক্যাপাসিটর এই চাপের জন্য নকশা করা হয়নি, তা দ্রুত ভেন্ট হয়ে ফুলে ওঠে বা শর্ট সার্কিটে চলে যায়।

নির্ভরযোগ্য ডিসি-লিংক ক্যাপাসিটরের প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য

ইনভার্টার মেরামতে ব্যবহৃত ক্যাপাসিটরের ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে ড্রাইভের রেটিং ও লোড প্রোফাইলের ওপর। নির্দিষ্ট নির্মাতার ডেটাশিট না থাকলে সাধারণ শিল্পমান হিসেবেই নিচের বিষয়গুলো বিচার করা যায়:

  • রেটেড ভোল্টেজ: ৪০০ V-শ্রেণির ইনভার্টারের ডিসি-লিংকে সাধারণত দুটি ক্যাপাসিটর সিরিজে থাকে, তাই প্রতিটি অংশের রেটেড ভোল্টেজ ৪০০–৪৫০ VDC হওয়া উচিত। ৪৬০ V মেইনস ও ভোল্টেজ ওঠানামার জন্য ৪৫০ VDC রেটেড অংশ নিরাপদ। ডিরেটিং-এর নিয়ম: সর্বোচ্চ প্রয়োগ ভোল্টেজ রেটেড ভোল্টেজের ৮৫–৯০%-এর বেশি না রাখা।
  • তাপমাত্রা রেটিং: ১০৫°C কেস তাপমাত্রার অংশ বাছাই করুন; ৮৫°C রেটেড অংশ টেক্সটাইল মিলের পরিবেশে দীর্ঘদিন টিকে না।
  • রিপল কারেন্ট: ক্যাপাসিটরের রিপল কারেন্ট রেটিং প্রকৃত সার্কিটের রিপল কারেন্টের ১.৫–২ গুণ হওয়া দরকার; ESR-এ তাপ উৎপাদন কারেন্টের বর্গের অনুপাতে বাড়ে।
  • ক্যাপাসিট্যান্স টলারেন্স: ১২০ Hz-এ সাধারণত ±২০% সহনশীলতা থাকে; ESR যত কম, তাপ উৎপাদন তত কম।
  • আয়ু: রেটেড তাপমাত্রা ও রেটেড রিপলে সাধারণত ৩০০০ ঘণ্টার বেশি আয়ু প্রত্যাশা করা যায়; তবে কেস তাপমাত্রা ৭৫–৮৫°C-এ রাখলে আয়ু ১৫,০০০–২০,০০০ ঘণ্টায় পৌঁছতে পারে।
  • সিল ও খোলস: ৭০–৯০% আর্দ্রতায় কাজ করতে হলে সিলিং গুণগত মান গুরুত্বপূর্ণ; ভেন্ট অক্ষত এবং খোলসে ঝাল বা ক্ষয়ের দাগ থাকা চলবে না।

ইনকামিং পরিদর্শনে শুধু নামফলকের দিকে তাকালেই চলে না; পরিমাপই চূড়ান্ত প্রমাণ। নিচের সারণিতে নির্ভরযোগ্য অংশ ও নকল/রি-মার্কড অংশের পার্থক্য দেখানো হলো:

পরীক্ষানির্ভরযোগ্য অংশনকল/রি-মার্কড অংশ
ক্যাপাসিট্যান্স (১২০ Hz, ২০°C)নামফলকের ±১০–২০%-এর মধ্যেনামফলক থেকে ±৩০% বা তার বেশি বিচ্যুত
ESR (১০০ kHz, ২০°C)নামফলকের কাছাকাছি বা কমনামফলকের ২–৩ গুণ বেশি
লিকেজ কারেন্ট (রেটেড ভোল্টেজের ৮০%, ৫ মিনিট)০.০১ × C × V µA-এর নিচে (C µF, V ভোল্ট)সীমার অনেক উপরে; পরীক্ষার সময় দ্রুত বাড়ে
মার্কিংলেজার বা সলভেন্ট-প্রতিরোধী কালি; এক স্তরদ্বৈত প্রিন্ট; ঘষলে বা সলভেন্টে মোছা যায়
তারিখ কোড ও লটএকটি লটে সামঞ্জস্যপূর্ণমিশ্র তারিখ কোড; খোলসের মোড়ক বেমানান
টার্মিনাল ও ভেন্টঅক্ষত; ঝাল বা ক্ষয়ের দাগ নেইপুরোনো ঝালের চিহ্ন; ভেন্ট হালকা ফুলে ওঠা

ইনকামিং পরীক্ষার ধাপ ও ইনস্টলেশন নোট

  1. চাক্ষুষ পরিদর্শন: খোলসের রং, প্রিন্টের মান এবং তারিখ কোড মিলিয়ে দেখুন। একটি বাক্সের মধ্যে একাধিক পুরোনো তারিখ কোড থাকলে সেটি সন্দেহজনক।
  2. মাত্রা ও ওজন: ভার্নিয়ার ক্যালিপার ও সঠিক ওজনের মেশিনে যাচাই করুন। নির্ভরযোগ্য অংশের মাত্রা ও ওজন একই মডেলের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়; নকল অংশ প্রায়ই হালকা হয়।
  3. LCR মিটার দিয়ে পরিমাপ: ১২০ Hz-এ ক্যাপাসিট্যান্স এবং ১০০ kHz-এ ESR মাপুন। ফলাফল নামফলক ও সারণির সীমার মধ্যে না এলে অংশটি বাদ দিন।
  4. লিকেজ কারেন্ট যাচাই: রেটেড ভোল্টেজের ৮০% সিরিজ প্রতিরোধকের মাধ্যমে প্রয়োগ করে ৫ মিনিট পর লিকেজ কারেন্ট মাপুন। মান দ্রুত বাড়তে থাকলে তা ব্যবহারের অযোগ্য।
  5. ইনস্টলেশন: ভেন্টের ওপর ৩–৫ মিমি ফাঁকা জায়গা রাখুন; স্ক্রু টার্মিনালে টর্ক রেঞ্চ দিয়ে নির্ধারিত টর্কে সংযোগ করুন। অতিরিক্ত টর্ক ভেতরের সংযোগ আলগা করে দেয়।
  6. পুরোনো ড্রাইভ থেকে খালাস করা ক্যাপাসিটর নতুন ড্রাইভে লাগাবেন না: পরীক্ষায় পাস করলেও ইলেক্ট্রোলাইট শুকিয়ে যাওয়ায় অবশিষ্ট আয়ু অনিশ্চিত।
ইনকামিং পরীক্ষার উদ্দেশ্য কেবল একটি অংশ বাছাই করা নয়; পুরো মেরামতের খরচ ও উৎপাদন ডাউনটাইম বাঁচানো। সন্দেহজনক অংশের দাম যতই কম হোক, ইনভার্টারে বসানোর আগে বাতিল করাই নিরাপদ। সরবরাহকারীর কাছ

Recommended Article